হাদিস নং- ০২৪২

সাহল ইবনে সা’দ আস-সা’ইদী (রা)-র মাঝখানে কেউ ছিল না, তখন লোকে প্রশ্ন করলঃ (উহুদ যুদ্ধে) কী দিয়ে রাসূলুল্লাহ্ (সা) এর যখমের চিকিৎসা করা হয়েছিল? তখন তিনি বললেনঃ এ ব্যাপারে আমার চেয়ে ভাল একজন জানে এমন কেউ জীবিত নেই। ‘আলী (রা) তাঁর ঢালে করে পানি আনছিলেন আর ফাতিমা (রা) তাঁর মুখমন্ডল থেকে রক্ত ধুইয়ে দিলেন। অবশেষে চাটাই পুড়িয়ে (তার ছাই) তাঁর ক্ষতস্থানে দেওয়া হল।

হাদিস নং- ০২৪৩

আবূ বুরদা (র)-র পিতা [আবূ মূসা (রা)] থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ একবার আমি রাসূলুল্লাহ্ (সা) এর কাছে এলাম। তখন তাঁকে দেখলাম তিনি মিসওয়াক করছেন এবং মিসওয়াক মুখে দিয়ে তিনি উ’, উ’ শব্দ করছেন যেন তিনি বমি করছেন।

হাদিস নং- ০২৪৪

হুযায়ফা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (সা) যখন রাতে (সালাতের জন্য) উঠতেন তখন মিসওয়াক দিয়ে মুখ পরিষ্কার করতেন।

হাদিস নং- ০২৪৫

বারা ইবনে ‘আযিব (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (সা) বলেছেনঃ যখন তুমি বিছানায় যাবে তখন সালাতের উযূর মতো উযূ করে নেবে। তারপর ডান পার্শ্বে শুয়ে বলবেঃ

“হে আল্লাহ্! আমার জীবন আপনার কাছে সমর্পণ করলাম। আমার সকল কাজ আপনার কাছে সোপর্দ করলাম এবং আমি আপনার আশ্রয় গ্রহণ করলাম, আপনার প্রতি আগ্রহ ও ভয় নিয়ে। আপনি ছাড়া কোন আশ্রয়স্থল ও নাজাতের স্থান নেই। হে আল্লাহ্! আমি ঈমান আনলাম আপনার নাযিলকৃত কিতাবের উপর এবং আপনার প্রেরিত নবীর উপর।”

তারপর যদি সে রাতেই তোমার মৃত্যু হয় তবে ফিতরাতে ইসলামের উপর তোমার মৃত্যু হবে। এ কথাগুলি তোমার শেষ কথা বনিয়ে নাও। তিনি বললেন, ‘আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এ কথাগুলি পুনরায় শুনালাম। যখন ---------- পর্যন্ত পৌঁছে ----- বললাম, তখন তিনি বললেনঃ না; বরং --------- বল।"

Make a Free Website with Yola.