হাদিস নং- ০২১২
আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সা) বলেছেনঃ সালাত আদায়ের অবস্থায় তোমাদের কারো যদি তন্দ্রা আসে তবে সে যেন ঘুমের রেশ কেটে না যাওয়া পর্যন্ত ঘুমিয়ে নেয়। কারন, তন্দ্রাবস্থায় সালাত আদায় করলে সে জানতে পারবে না, সে কি ক্ষমা চাইছে, না নিজেকে গালি দিচ্ছে।
হাদিস নং- ০২১৩
আনাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সা) বলেছেনঃ কেউ যদি সালাতে ঝিমায়, সে যেন ততক্ষণ ঘুমিয়ে নেয়, যতক্ষন না সে কি পড়ছে, তা বুঝতে পারে।
হাদিস নং- ০২১৪
আনাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সা) প্রত্যেক সালাতের সময় উযূ করতেন। আমি বললামঃ আপনারা কিরূপ করতেন? তিনি বললেনঃ হাদস (উযূ ভঙ্গের কারন) না হওয়া পর্যন্ত আমাদের (পূর্বের) উযূই যথেষ্ট হত।
হাদিস নং- ০২১৫
সুওয়ায়দ ইব্নু’ন-নু‘মান (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ খায়বার যুদ্ধের বছর আমরা ররাসূলুল্লাহ (সা) এর সাথে বের হলাম। সাহবা নামক স্থানে পৌঁছে রাসূলুল্লাহ (সা) আমাদের নিয়ে আসরের সালাত আদায় করলেন। সালাত শেষে তিনি খাবার আনতে বললেন। ছাতু ছাড়া আর কিছু আনা হল না। আমরা তা খেলাম এবং পান করলাম। তারপর রাসূলুল্লাহ (সা) মাগরিবের জন্য দাঁড়িয়ে কুলি করলেন; তিনি (নতুন) উযূ করলেন না।
হাদিস নং- ০২১৬
ইবনে ‘আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সা) একবার মদীনা বা মক্কার কোন এক বাগানের কাছ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি এমন দু’ব্যক্তির আওয়ায পেলেন, যাদের কবরে আযাব হচ্ছিল। তখন রাসূলুল্লাহ (সা) বললেনঃ এদের দু’জনকে আযাব দেওয়া হচ্ছে, অথচ কোন বড় গুনাহের জন্য এদের আযাব দেওয়া হচ্ছে না। তারপর তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, এদের একজন তার পেশাবের নাপাকি থেকে সতর্কতা অবলম্বন করত না। আর একজন চোগলখুরী করত। তারপর তিনি একটি খেজুরের ডাল আনালেন এবং তা ভেঙ্গে দু’খন্ড করে প্রত্যেকের কবরের উপর একখন্ড রাখলেন। তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হল, ‘ইয়া রাসূলুল্লাহ্! এরূপ কেন করলেন?’ তিনি বললেনঃ হয়ত তাদের আযাব কিছুটা লাঘব করা হবে, যতদিন পর্যন্ত এ দু’টি না শুকায়।