হাদিস নং – ০২৫৯
আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি ও রাসূলুল্লাহ্ (সা) একত্রে প্রবিত্রতার গোসল করতাম। পাত্রের মধ্য আমাদের উভয়ের হাত রাখতাম (হাত ধুয়ে এরুপ করতেন)।
হাদিস নং – ০২৬০
আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (সা) জানাবাতের গোসল করার সময় প্রথমে হাত ধুয়ে নিতেন।
হাদিস নং – ০২৬১
আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি ও রাসূলুল্লাহ্ (সা) একই পাত্রের পানি দিয়ে জানাবাতের গোসল করতাম।
হাদিস নং – ০২৬২
আসন ইবনে মালিক (রা) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ্ (সা) ও তার স্ত্রীদের কেউ কেউ একই পাত্রের পানি নিয়ে গোসল করতেন।
হাদিস নং – ০২৬৩
মায়মূনা বিনত হারিস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ্ (সা) এর জন্য পানি রেখে পর্দা করে দিলাম। তিনি পানি দিয়ে দু’বার কিংবা তিনবার হাত ধুইলেন। সুলায়মান (র) বলেন, তৃতীয়বারের কথা বলেছেন কিনা মনে পড়ে না। তখন তিনি ডান হাতে পানি নিয়ে বাম হাতে ঢাললেন এবং লজ্জাস্থান ধুয়ে নিলেন। তারপর তাঁর হাত মাটিতে বা দেওয়ালে ঘষলেন। পরে তিনি কুলি করলেন, নাকে পানি দিলেন এবং তাঁর চেহারা ও দু’ হাত ধুইলেন এবং মাথা ধুয়ে ফেললেন্ তারপর তাঁর শরীরে পানি ঢেলে দিলেন। পরে সেখান থেকে সরে গিয়ে তাঁর দু’পা ধুইলেন । অবশেষে আমি তাঁকে একখন্ড কাপড় দিলাম; কিন্তু তিনি হাতের ইশারায় নিষেধ করলেন এবং তা নিলেন না।
হাদিস নং – ০২৬৪
মায়মূনা (রা) বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ্ (সা) এর জন্য গোসলের পানি রাখলাম, তিনি উভয় হাতে পানি ঢেলে দু’বার করে বা তিনবার করে তা ধুইয়ে নিলেন। এরপর তিনি ডান হাতে পানি নিয়ে বাম হাতে ঢাললেন এবং তাঁর লজ্জাস্থান ধুইলেন। পরে তাঁর হাত মাটিতে ঘষলেন। তারপর কুলি করলেন ও নাকে পানি দিলেন। আর তাঁর সারা শরীরে পানি ঢাললেন। অবশেষে সেখান থেকে একটু সরে গিয়ে তাঁর দু’পা ধুয়ে ফেললেন।
হাদিস নং – ০২৬৫
মুহাম্মদ ইবনে মুনতাশির (র) তাঁর পিতা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি ‘আয়িশা (রা)-এর কাছে [আবদুল্লাহ্ ইব্ন ‘উমর (রা)]-এর উক্তিটি উল্লেখ করলাম। তিনি বললেনঃ আল্লাহ্ আবূ ‘আবদুর রহমানকে রহম করুন। আমি রাসূলুল্লাহ্ (সা)কে খুশবু লাগাতাম, তারপর তিনি তাঁর স্ত্রীদের সঙ্গে মিলিত হতেন। তারপর ভোরবেলায় এমন অবস্থায় ইহ্রাম বাঁধতেন যে, তাঁর দেহ থেকে খুশবু ছড়িয়ে পড়তো।
হাদিস নং – ০২৬৬
আনাস ইবনে মালিক (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (সা) তাঁর স্ত্রীগণের কাছে দিনের বা রাতের কোন এক সময় পর্যায়ক্রমে মিলিত হতেন। তাঁরা ছিলেন এগারজন। বর্ণনাকারী বলেন, আমি আনাস (রা)-কে জিজ্ঞাসা করলাম, তিনি কি এত শক্তি রাখতেন? তিনি বললেন, আমরা পরস্পর বলাবলি করতাম যে, তাঁকে ত্রিশজনের শক্তি দেওয়া হয়েছে। সা’ঈদ (র) কাতাদা (র) থেকে বর্ণনা করেন, আনাস (রা) তাঁদের কাছে হাদীস বর্ণনা প্রসঙ্গে (এগারজনের স্থলে) নয়জন স্ত্রীর কথা বলেছেন।