হাদিস নং- ০১৮৯
সায়িব ইবনে ইয়াযীদ (রা) বলেনঃ আমার খালা আমাকে নিয়ে রাসূলুল্লাহ (সা) –এর খিদমতে হাযির হলেন এবং বললেনঃ ‘ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমার ভাগ্নে অসুস্থ’। রাসূলুল্লাহ (সা) আমার মাথায় হাত বুলালেন এবং বরকতের দু‘আ করলেন। তারপর উযূ করলেন। আমি তাঁর উযূর (অবশিষ্ট) পানি পান করলাম। তারপর তাঁর পেছনে দাঁড়ালাম। তখন আমি তাঁর উভয় কাঁধের মধ্যস্থলে মোহরে নুবূওয়াত দেখতে পেলাম। তা ছিল নওশার ঘুন্টির মত।
হাদিস নং- ০১৯০
আবদুল্লাহ ইবনে যায়দ (রা) থেকে বর্ণত, একবার তিনি পাত্র থেকে উভয় হাতে পানি ঢেলে দু’হাত ধৌত করলেন। তারপর এক আঁজলা পানি দিয়ে (মুখ) ধুইলেন বা কুলি করলেন এবং নাকে পানি দিলান। তিনবার এরূপ করলেন। তারপর দু’ হাত কনুই পর্যন্ত দু’- দু’বার ধুইলেন এবং মাথার সামনের অংশ এবং পেছনের অংশ মসেহ করলেন। আর গিরা পর্যন্ত দু’ পা ধুইলেন। এরপর বললেনঃ “রাসূলুল্লাহ (সা) –এর উযূ এরূপ ছিল।”
হাদিস নং- ০১৯১
ইয়াহইয়া (র) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘আমি একবার ‘আমার ইবন আবূ হাসান (রা) –এর কাছে উপস্থিত ছিলাম। তিনি ‘আবদুল্লাহ ইবন যায়দ (রা) – কে রাসূলুল্লাহ (সা) – এর উযূ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। তারপর তিনি পানির একটি পাত্র আনালেন এবং উযূ করে তাঁদের দেখালেন। তিনি পাত্রটি কাত করে উভয় হাতের উপর পানি ঢেলে তিনবার তা ধুয়ে ফেলেন। তারপর পাত্রের মধ্যে হাত ঢুকালেন এবং তিন আঁজলা পানি দিয়ে তিনবার করে কুলি করলেন এবং নাকে পানি দিয়ে তা ঝেড়ে ফেললেন। তারপর আবার পাত্রের মধ্যে হাত ঢুকালেন (এবং পানি দিয়ে) তিনবার মুখমণ্ডল ধুইলেন। তারপর আবার পাত্রের মধ্যে হাত ঢুকালেন। তাঁর মাথায় হাত দিয়ে সামনে এবং পেছনে মসেহ করলেন। তারপর আবার পাত্রের মধ্যে তাঁর হাত ঢুকালেন এবং উভয় পা ধুইলেন।
হাদিস নং- ০১৯২
উহায়ব (র) সুত্রে মূসা (র) বর্ণনা করেন যে, মাথা একবার মসেহ করেন।"