হাদিস নং – ০২৬৭
আলী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমার অধিক মযী বের হতো। রাসূলুল্লাহ্ (সা) এর কন্যা আমার স্ত্রী হওয়ার কারনে আমি একজনকে রাসূলুল্লাহ্ (সা) এর কাছে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করার জন্য পাঠালাম। তিনি প্রশ্ন করলেন রাসূলুল্লাহ্ (সা) বললেনঃ উযূ কর এবং লজ্জাস্থান ধুয়ে ফেল।
হাদিস নং – ০২৬৮
মুহাম্মদ ইব্ন মুনতাশির (র) তাঁর পিতা থেকে বর্ণিত, আমি আয়িশা (রা)-কে জিজ্ঞাসা করলাম এবং ‘আবদুল্লাহ্ ইব্ন ‘উমর (রা)-এর উক্তি উল্লেখ করলাম, -----“আমি এমন অবস্থায় ইহরাম বাঁধা পছন্দ করি না, যাতে সকালে আমার দেহ থেকে খুশবু ছড়িয়ে পড়ে।” ‘আয়িশা (রা) বললেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ্ (সা) কে সুগন্ধি লাগিয়েছি, তারপর তিনি পর্যায়ক্রমে তাঁর স্ত্রীদের সঙ্গে মিলিত হয়েছেন এবং তাঁর ইহ্রাম অবস্থায় প্রভাত হয়েছে।
হাদিস নং – ০২৬৯
আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি যেন এখনো দেখছি, রাসূলুল্লাহ্ (সা) ইহ্রাম অবস্থায় তাঁর সিথিতে খুশবুর ঔজ্জ্বল্য রয়েছে।
হাদিস নং – ০২৭০
আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (সা) যখন জানাবতের গোসল করতেন, তখন তিনি দু’হাত ধুইতেন এবং সালাতের উযূর মত উযূ করতেন। তারপর গোসল করতেন। পরে তাঁর হাত দিয়ে চুল খিলাল করতেন। চামড়া ভিজেছে বলে যখন তিনি নিশ্চিত হতেন, তখন তাতে তিনবার পানি ঢালতেন। তারপর সমস্ত শরীর ধুয়ে ফেলতেন। ‘আয়িশা (রা) আরো বলেছেনঃ আমি ও রাসূলুল্লাহ্ (সা) একই পাত্র থেকে গোসল করতাম। আমরা একই সাথে তা থেকে আঁজলা ভরে পানি নিতাম।
হাদিস নং – ০২৭১
মায়মূনা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (সা) জানাবাতের গোসলের জন্য পানি রাখলেন। তারপর দু’বার বা তিনবার ডান হাতে বাম হাতের উপর পানি ঢাললেন এবং তাঁর লজ্জাস্থান ধুইলেন। তারপর তাঁর হাত মাটিতে বা দেওয়ালে দু’বার বা তিনবার ঘষলেন। পরে তিনি কুলি করলেন ও নাকে পানি দিলেন এবং চেহারা ও দু’হাত ধুইলেন। তারপর তাঁর মাথায় পানি ঢাললেন এবং তাঁর শরীর ধুইলেন। একটু সরে গিয়ে তাঁর দুই পা ধুইলেন। মায়মূনা (রা) বলেনঃ এরপর আমি একখন্ড কাপড় দিলে তিনি তা নিলেন না, বরং নিজ হাতে পানি ঝেড়ে ফেলতে থাকলেন।
হাদিস নং – ০২৭২
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ একবার সালাতের ইকামত দেওয়া হলে সবাই দাঁড়িয়ে কাতার সোজা করছিলেন, তখন রাসূলুল্লাহ্ (সা) আমাদের সামনে বেরিয়ে আসলেন। তিনি মুসাল্লায় দাঁড়ালে তাঁর মনে হল যে, তিনি জানাবাত অবস্থায় আছেন। তখন তিনি আমাদের বললেনঃ স্ব স্ব স্থানে দাঁড়িয়ে থাক। তিনি ফিরে গিয়ে গোসল করে আবার আমাদের সামনে আসলেন এবং তাঁর মাথা থেকে পানি ঝরছিল। তিনি তাকবীর (তাহ্রীমা) বাঁধলেন, আর আমরাও তাঁর সাথে সালাত আদায় করলাম।